মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Logo

চরমোনাইকে ছেড়ে দেওয়া আসনেও জামায়াতের প্রার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট।।

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির সময় জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন জোটের আসন বণ্টন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যদিও দুই দলের নেতারা বলেন, আলোচনা চলছে এবং সমঝোতা শিগগিরই হবে, তবুও কয়েকটি মূল আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা দিয়েছে।

জামায়াত ২৭৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছে, ইসলামী আন্দোলন ২৬৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি ও এবি পার্টির জন্য ২৪টি আসনে জামায়াত প্রার্থী দেয়নি। তবে ইসলামী আন্দোলন যেসব আসন জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেই সব আসনে নিজস্ব প্রার্থী রেখেছে।

জোটের ভেতরে আসন সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। জামায়াত ৩১ আসন ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়তে সম্মত, কিন্তু জোটে থাকতে ৭৫ আসনে নির্বাচনের অধিকার রাখতে চায়। নতুন শরিক দল এনসিপির জন্য জামায়াত ৩০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জোটের ভেতরে সংঘাত মূলত প্রধান নেতাদের আসনে দেখা যাচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছে, যেমন বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের কয়েকটি আসনে। তবে জামায়াতের অনেক নেতা বলছেন, জোট ভাঙার দায় তাদের নয়, বরং যেসব দল অতিরিক্ত আসনের দাবি করছে, তার ওপর দায় পড়বে।

জোটের সমন্বয়ক এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ জানান, ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত সব সমঝোতা সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, “৩০০ আসনে জোটের একক প্রার্থী থাকবে, কোনো সমস্যা হবে না।”

ইসলামী আন্দোলনের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, আসন বণ্টন চূড়ান্ত হলে জোট সম্পূর্ণ শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। তবে তারা মনে করান, অতিরিক্ত দাবি পূরণ না হলে জোটের অংশীদারিত্ব পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

এ দিকে আসন বণ্টন এবং সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক মহলে জোটের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রবলভাবে অনুভূত হচ্ছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন