গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র, বিজয় এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে হযরত গেদু শাহ্ চিশস্তি (রহ.)-এর ৪৯তম বাৎসরিক ওরশ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দশমিনা ও গলাচিপা আসনের প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেন, তিনি জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে চান এবং ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজনে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণকে নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ইসলামী দলের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে উপস্থিতি সামাজিক সম্প্রীতির পরিচয় বহন করে।
তিনি আরও জানান, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য, যেখানে রাজনৈতিক সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকবে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণকে তিনি দেশের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রসঙ্গে নুর বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার রয়েছে। জোরপূর্বক বাধা দেওয়া, হামলা বা বিশৃঙ্খলার রাজনীতিতে গণঅধিকার পরিষদ বিশ্বাস করে না বলে তিনি জানান।
চাঁদাবাজি ও জনভোগান্তির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে কাউকে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হবে না। দলের কেউ চাঁদাবাজি বা জনভোগান্তিতে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ওরশ মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

