ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো শুক্রবার জানিয়েছেন, চলতি মাসের শুরুতে কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের সময় মোট ৪৭ জন ভেনেজুয়েলার সেনা নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯ জন নারী রয়েছেন।
মাদুরো সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পাদ্রিনো দাবি করেন, ওই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানি ঘটেছে এবং এই হামলা দেশটির সুরক্ষা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করেছে।
একই ঘটনায় কিউবার পক্ষও তাদের পক্ষের ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে। কিউবা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারি সকালে সংঘর্ষে নিহত ৩২ জন কিউবার সেনার মরদেহ তারা গ্রহণ করেছে।
ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত সপ্তাহে দাবি করেছিলেন, ওই হামলায় মোট ১০০ জন নিহত হয়েছেন। তবে তিনি বলেননি, নিহতদের মধ্যে কতজন সেনা এবং কতজন সাধারণ নাগরিক ছিল—এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।
চলতি মাসের শুরুতে কারাকাসে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হামলা ও অপহরণ’—এ ধরনের দাবি ও counter-claim মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি আন্তর্জাতিকভাবে তীব্রভাবে উত্তপ্ত ছিল। ভেনেজুয়েলা ও কিউবা একে ‘সন্ত্রাসী আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মহলে এই ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই হামলার ব্যাপারে এখনও কোন সুস্পষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভেনেজুয়েলা ও কিউবার দাবির পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে—বিশেষ করে যখন নিহতদের সংখ্যা এবং হামলার বাস্তবতা নিয়ে বিভিন্ন দাবি-প্রতিদাবি চলছে।

