টানা তিন ম্যাচে হারের পর প্লে-অফে ওঠা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যায় রংপুর রাইডার্স। সেই সংকট কাটাতে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনে বিপিএলের শক্তিশালী এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। নুরুল হাসান সোহানের জায়গায় অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয় লিটন কুমার দাসকে। আর প্রথম ম্যাচেই মিললো সাফল্য।
ঢাকা ক্যাপিটালসকে ১১ রানে হারিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রংপুর রাইডার্স। এই হারের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালসের। এর আগেই বিদায় নিয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
টস জিতে ঢাকা ক্যাপিটালস ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলে ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স ৪ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৮১ রান। বড় এই স্কোর গড়ার পেছনে ঢাকার দুর্বল ফিল্ডিং বড় ভূমিকা রাখে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকা ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের বেশি করতে পারেনি।
রংপুরের ইনিংসে ডেভিড মালান ও তাওহিদ হৃদয়ের জুটি ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন ১২৬ রানের শক্ত ভিত। মালান ৪৯ বলে ৭৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৮টি চার ও ৪টি ছক্কা। তাওহিদ হৃদয় করেন ৪৬ বলে ৬২ রান, তার ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কা।
শেষদিকে কাইল মায়ার্স ১৬ বলে ২৪ রান যোগ করেন। খুশদিল শাহ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন। নুরুল হাসান সোহান করেন মাত্র ১ রান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ সংগ্রহ করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তিনি ৩০ বলে ৫৮ রান করেন, যার মধ্যে ছিল ৩টি চার ও ৫টি ছক্কা। এছাড়া মোহাম্মদ মিথুন করেন ২৫ রান এবং ইমাদ ওয়াসিমের ব্যাট থেকে আসে ২০ রান।
এই জয়ে ৯ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১০-এ। সমান ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালস ও নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পয়েন্ট ৪ করে থাকায় শেষ ম্যাচ জিতলেও প্লে-অফে ওঠার আর সুযোগ নেই তাদের। ফলে চলতি বিপিএলের প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স (১৪ পয়েন্ট), চট্টগ্রাম রয়্যালস (১২ পয়েন্ট), সিলেট টাইটান্স (১০ পয়েন্ট) ও রংপুর রাইডার্স (১০ পয়েন্ট)।

