বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

এলপি গ্যাসের সংকট কাটবে কবে, যা জানা গেল

ডেস্ক রিপোর্ট।।

রান্নার লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে। নির্ধারিত দামের বাইরে গিয়ে প্রায় দ্বিগুণ মূল্য পরিশোধ করেও সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের। চলতি জানুয়ারি মাসেও এই সংকট কাটার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, বড় ধরনের উদ্যোগ না নেওয়া হলে ফেব্রুয়ারির শুরুতেও এলপিজি সরবরাহ নিয়ে চাপে পড়তে পারে সরকার। চলতি মাসে দেশে এলপিজির চাহিদা এক লাখ ৫০ হাজার টনের বেশি হলেও এখন পর্যন্ত আমদানির নিশ্চয়তা মিলেছে মাত্র এক লাখ ২০ হাজার টনের।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, ঘাটতি থাকা এলপিজি আমদানির জন্য ব্যবসায়ীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ সংকট মোকাবিলায় সরকার নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করছে বলেও জানান তিনি।

এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিরুল হক বলেন, কবে নাগাদ রান্নার গ্যাসের সংকট কাটবে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেই মূলত এলপিজি আমদানি করা হচ্ছে। তবে জাহাজ সংকট, ভাড়া বৃদ্ধি ও অন্যান্য লজিস্টিক জটিলতার কারণে আমদানিতে বিলম্ব হচ্ছে।

সংকট নিরসনে সরকার সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিপাইনের সঙ্গে এলপিজি আমদানির বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে বলে জানান তিনি। তবে এসব দেশ থেকে এলপিজি আনতে কিছুটা সময় লাগবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এদিকে জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে এক লাখ টন এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই এলপিজি দেশে পৌঁছাতে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সব মিলিয়ে স্বল্পমেয়াদে এলপিজি সংকট থেকে উত্তরণের সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্টরা। এর প্রভাব পড়ছে সরাসরি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর, যারা বাড়তি দামে রান্নার গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন