আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের নির্বাচনী সমঝোতায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দলের প্রার্থীদের মধ্যে ২৬ জনই উচ্চশিক্ষিত বলে জানা গেছে।
দলের তালিকায় দুইজন পিএইচডি ডিগ্রিধারী এবং ১৮ জন স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রিধারী রয়েছেন। এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক (এমবিবিএস ও বিডিএস) এবং চারজন স্নাতক ডিগ্রিধারীও রয়েছেন। বাকি চারজনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমানের।
পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থীরা হলেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের আতিকুর রহমান মোজাহিদ ও পিরোজপুর-৩ আসনের মো. শামীম হামিদী।
স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের মধ্যে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন (রংপুর-৪), মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ঢাকা-৮), দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ (কুমিল্লা-৪) ও সারজিস আলম (পঞ্চগড়-১) রয়েছেন। এছাড়া এনসিপির দুই নারী প্রার্থী দিলশানা পারুল (ঢাকা-১৯) ও নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০)ও এই তালিকায় রয়েছেন।
স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থী চারজনের মধ্যে দলের আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলামও আছেন। এমবিবিএস ডিগ্রিধারী মো. আবদুল আহাদ দিনাজপুর-৫ এবং বিডিএস ডিগ্রিধারী জাহিদুল ইসলাম ময়মনসিংহ-১১ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।
এনসিপির হলফনামা অনুযায়ী, এইচএসসি পাস প্রার্থীরা হলেন সারোয়ার তুষার (নরসিংদী-২), প্রীতম দাশ (মৌলভীবাজার-৪) এবং এস এম সাইফ মোস্তাফিজ (সিরাজগঞ্জ-৬)।
দলটি এ নির্বাচনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতাকে জনগণের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

