ঢাকা-১২ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল আলম খানের জনসভাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তিনি বলেন, “আমি রাজনীতি করবো, আমি চাঁদাবাজিও করবো, কিন্তু আমাকে চাঁদাবাজ বলবেন না—এটা কোনো কথা! যদি চাঁদাবাজি বন্ধ করা হয়, তখন কেউ আপনাকে চাঁদাবাজ বলবে না। কিন্তু চাঁদাবাজি করলে অভিযোগ আসবেই।”
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত জনসভায় শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবসার কারণে জর্জরিত। কৃষক থেকে পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ীরা চাঁদা দেওয়ার দায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, “জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ক্ষমতায় এলে নির্বাচনের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের চিত্র বদলে যাবে। চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে এবং যারা এখনও অনুশীলন করছে, তাদেরকে বোঝানো হবে।”
শফিকুর রহমান বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু হতে হবে, কিন্তু চতুর্দিকে মন্দ আলামত দেখা যাচ্ছে। মানুষকে হুমকি দেওয়া, অফিস পুড়িয়ে দেওয়া এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন জনগণের আস্থা অর্জনে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে না হলে তাদের ব্যর্থতার দায়ভার নিতে হবে।”
তিনি প্রতিপক্ষের উদ্দেশে বলেন, “অন্যকে সম্মান করুন এবং গণতন্ত্রের পথে চলুন। কেউ যদি পুরোনো কায়দায় ভোট প্রক্রিয়াকে নিজেদের অনুকূলে নিতে চেষ্টা করে, তা যুবসমাজ মেনে নেবে না।”
জনসভায় আরও বক্তব্য দেন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী সাইফুল আলম খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ, ডাকসু ভিপি মো. আবু সাদিক ও এনসিপির ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
