জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার বলেছেন, যদি জামায়াত ক্ষমতায় আসে, কওমি মাদরাসা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, “এ ধরনের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যাচার। কওমি মাদরাসা আমাদের হৃদয়, আমাদের কলিজা।”
বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পার্ক ও খেলার মাঠে ঢাকা-১৬ আসনের প্রার্থী কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.) সমর্থিত নির্বাচনি সমাবেশে এই মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য মো. নাসির উদ্দীন।
শফিকুর রহমান বলেন, “কওমি মাদরাসা ইসলামি শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ ধারাকে ধরে রেখেছে। আমরা তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করবো। মুখে নয়, কাজে প্রমাণ দেখাবো।”
তিনি আরও বলেন, মসজিদে ইমাম ও খতিবদের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকবে। “যেখানে ইমাম এবং খতিব আছেন, তারা পরিচালনা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তাদের অভিজ্ঞতা এবং মর্যাদা মসজিদের সেবা আরও সমৃদ্ধ করবে।”
এছাড়া, দেশের ইতিহাসে নির্যাতিত ও শহীদ ব্যক্তিদের প্রতিও সমবেদনা প্রকাশ করেন জামায়াতের আমির। তিনি বলেন, “শহীদদের হত্যার বিচার না হলে নতুন বীর সন্তানের জন্ম সম্ভব হবে না। আবরার, ফাহাদ, আবু সাঈদ ও ওসমান হাদির হত্যার বিচার এখনও অসম্পূর্ণ, যা জাতির জন্য লজ্জাজনক।”
শফিকুর রহমানের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে কওমি মাদরাসা, ধর্মীয় শিক্ষা ও ইমামদের ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্ককে কেন্দ্র করে নানা প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
