ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের সম্ভাবনা বিবেচনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একাধিক উপদেষ্টা আগেভাগেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি নিজে কিংবা তার স্ত্রী কেউই এখনো কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেননি।
রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করার বিষয়ে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়। “আমি বা আমার স্ত্রী কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করিনি। আমার পাসপোর্ট এখনো আমার কাছেই আছে এবং তা বহাল রয়েছে। দায়িত্বকালীন সময়ে একজন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার পাসপোর্ট সারেন্ডার করা অস্বাভাবিক হতো,” বলেন তিনি।
তবে তৌহিদ হোসেন স্বীকার করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা আগেভাগে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন। তার ব্যাখ্যায় বলেন, এটি ভিসা সহজ করার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ ভ্রমণের ক্ষেত্রে সময় সাশ্রয়ের জন্য করা হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ ও বি-২ ভিসা পাসপোর্ট বাতিল হলেও বাতিল হয় না। তবে নতুন পাসপোর্টে ভিসা স্থানান্তর করতে সময় লাগে। সে কারণেই কেউ কেউ আগেভাগে পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন।
শেষে তিনি পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, “আমি বা আমার পরিবারের কেউ কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন—এমন তথ্য সম্পূর্ণ ভুল।”

