রমজান শুরু হতেই মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রায় দেড় হাজার বন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পবিত্র এই মাসে উদারতা প্রদর্শন এবং বন্দিদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে রমজান পালনের সুযোগ করে দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
আমিরাতের শাসকরা জানিয়েছেন, মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা যেন নতুনভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, সে জন্য তাদের আর্থিক জরিমানাও সরকারিভাবে বহন করা হবে।
আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান চলতি বছরের রমজানের শুরুতেই ১ হাজার ৪৪০ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৯৫।
আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম দুবাইয়ের সংশোধনাগার ও শাস্তিমূলক প্রতিষ্ঠানের ১ হাজার ৮৫৬ জন বন্দিকে ক্ষমা করেছেন।
শেখ ড. সুলতান বিন মুহাম্মদ আল কাসিমি (শারজাহ) রমজানের প্রথম দিনে ৪০৭ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছেন। শেখ হুমাইদ বিন রশিদ আল নুআইমি (আজমান) ১৩৪ জন বন্দির মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। শেখ সৌদ বিন সাকর আল কাসিমি (রাস আল খাইমাহ) ৪০৭ জন বন্দিকে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নির্দেশনা দিয়েছেন রাস আল খাইমাহর ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন সাকর আল কাসিমি। শেখ হামাদ বিন মোহাম্মদ আল শারকি (ফুজাইরাহ) ১২৫ জন বন্দিকে ক্ষমা করেছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দিদের ভালো আচরণ ও অন্যান্য নির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতি বছর রমজান উপলক্ষে আমিরাতে এ ধরনের ক্ষমা ঘোষণা মানবিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

