রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

রোজা অবস্থায় বমি করলে কি রোজা ভাঙে

ডেস্ক রিপোর্ট।।

পবিত্র ইসলামে অনুসারে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পানাহার, পানীয় ও অন্যান্য বর্জনীয় কাজ থেকে বিরত থাকেন। আত্মশুদ্ধির সাধনা ও আল্লাহর রহমত লাভের জন্য উপবাস করা এই মাসের মূল বৈশিষ্ট্য।

রোজা অবস্থায় যদি কারো বমি হয়, তবে ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী—বমির পরিমাণ বেশি হোক বা কম, খাদ্যবমি হোক বা রক্তবমি—রোজা ভেঙে যাবে না। কারণ রোজা মানে হলো পানাহার না করা; বমি হওয়া পানাহারের সমতুল্য নয়।

বমি হওয়ার পর যদি রোজা পালন করার সক্ষমতা থাকে, তবে রোজা পূর্ণ করা উচিত। যদি সক্ষমতা না থাকে, তবে রোজা ছেড়ে দিতে পারবে এবং পরে কাজা আদায় করতে হবে। কিন্তু যদি বমি মুখে এসে তা নিজে গিলে ফেলেন, রোজা ভেঙে যাবে। ইচ্ছাকৃত বমি করলে রোজা ভঙ্গ হবে এবং কাজা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করতে হবে।

হাদিসে এসেছে, অনিচ্ছাকৃত বমি হলে রোজা ভাঙবে না, আর ইচ্ছাকৃত বমির ক্ষেত্রে কাজা রাখা আবশ্যক।
(তিরমিজি, হাদিস : ৭২০; মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৬/১৮০; আল বাহরুর রায়েক : ২/২৪৭)

যদি কেউ অজ্ঞান হয়ে যায়, তাহলে রোজা ভাঙবে না। তবে অসুস্থতা বা দুর্বলতার কারণে পানাহার বা ওষুধ গ্রহণ করতে হলে পরে কাজা আদায় করতে হবে।

সংক্ষেপে, রোজা ভঙ্গ হয় শুধু ইচ্ছাকৃত খাদ্য গ্রহণ বা ওষুধ গ্রহণ, অন্য কোনো অবস্থায় বমি বা অজ্ঞান হওয়া রোজা ভঙ্গ করে না।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন