মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ নারী—মা বা বোন—প্রতিনিধি হিসেবে কার্ডের অধিকারী হবেন। এটি একটি সর্বজনীন প্রকল্প এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবার এই সুবিধা পাবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নাটোর সার্কিট হাউজ-এ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, কৃষি ভাতা ও গর্ভবতী ভাতা কার্ড বিতরণে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করার ঘটনাও ঘটেছে। এসব দুর্নীতি বন্ধ করতে সরকার সমন্বিত (ইন্টিগ্রেটেড) পদ্ধতিতে সব ভাতা একত্র করে একটি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় মাসিক আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে, যা বিদ্যমান অন্যান্য কার্ডের তুলনায় বেশি। ফলে সুবিধাভোগীরা স্বাভাবিকভাবেই এই কার্ডে আগ্রহী হবেন। প্রাথমিকভাবে প্রক্সিমিটি টেস্ট ও স্কোরিং পদ্ধতির মাধ্যমে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পরবর্তীতে এটি মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারেও সম্প্রসারিত হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, পুলিশ সুপার আবদুল ওয়াহাব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল হায়াতসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

