যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি।
রোববার প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, শনিবার ভোরে পরিচালিত হামলায় তিনি প্রাণ হারান। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, সামরিক অভিযানে খামেনি নিহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স একাধিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন। ইসরাইলি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় খামেনির পাশাপাশি তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীও নিহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানি সূত্রের দাবি, হামলার আগে শামখানি ও আলী লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন খামেনি।
এদিকে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা খামেনির বাসভবনের উপগ্রহচিত্র প্রকাশ করেছে। সেখানে ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়া এবং চারপাশে বিস্ফোরণের চিহ্ন দেখা গেছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

