বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Logo

যেভাবে খামেনির অবস্থান খুঁজে পায় সিআইএ–ইসরাইল

ডেস্ক রিপোর্ট।।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, আজ ভোরে আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনি কর্মস্থলে শাহাদত বরণ করেন। এই হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতিও নিহত হয়েছেন।

পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি এমন একটি সময়ে নিহত হয়েছেন যখন তিনি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এক গুরুত্বপূর্ণ কমপ্লেক্সে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্যের আদান–প্রদান করেছিল।

হামলার পরিকল্পনা চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা দীর্ঘ সময় ধরে খামেনির অবস্থান ও চলাফেরা নজরে রেখেছিল। শনিবার সকালে এই কমপ্লেক্সে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হওয়ার তথ্যের ভিত্তিতে হামলার সময় পরিবর্তন করা হয়। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ইসরাইলকে দেওয়া তথ্য অত্যন্ত নির্ভুল ছিল।

হামলার ফলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার রয়েছেন। তবে শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা কিছুটা সরে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

ইরান জানিয়েছে, হামলার সময় দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ও লক্ষ্যবস্তু ছিল। সেখানে অন্তত ১৪৮ শিশু নিহত হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই হামলার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।’

একই সময়ে, একাধিক বিশ্লেষক মনে করছেন, হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ‘কৌশলগত চমক’ দেখাতে পেরেছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন