বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

জ্বালানি তেল কেনার নতুন সীমা নির্ধারণ

ডেস্ক রিপোর্ট।।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কার মধ্যে তেল বিক্রিতে নতুন সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় ও অপ্রয়োজনীয় মজুত ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন এই নির্দেশনা আজ থেকেই কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে কখনো কখনো আমদানি ব্যবস্থাপনায় বিলম্ব বা বিঘ্ন ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদে জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ায় অনেক গ্রাহক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুত করছেন।

এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এখন থেকে যানবাহনভিত্তিক তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল দেওয়া হবে। এছাড়া এসইউভি, জিপ ও মাইক্রোবাসের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ থাকবে।

বাণিজ্যিক ও গণপরিবহনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি লোকাল বাস বা পিকআপ প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। অন্যদিকে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক বা কাভার্ডভ্যান দৈনিক সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় গ্রাহকদের অবশ্যই রসিদ সংগ্রহ করতে হবে এবং পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় আগের রসিদ দেখাতে হবে।

ডিলারদের ক্ষেত্রেও নতুন নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। তাদের বর্তমান মজুত ও বিক্রির সঠিক তথ্য প্রদান সাপেক্ষে ডিপো থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে। নির্ধারিত বরাদ্দের বাইরে কোনো ডিলারকে অতিরিক্ত তেল সরবরাহ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন