মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইরানের তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিলের ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। বিষয়টি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
তিনি বলেন, সমুদ্রে থাকা ইরানের তেলের ওপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্যচাপ কিছুটা কমতে পারে।
এর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে মার্কিন নজরদারির মধ্যেই চলাচল করছে, যা বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।
এদিকে ইরান ও ইসরাইল এর মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা-পাল্টা হামলা বাড়তে থাকায় বাজারে অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও জোরালো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

