বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

ইরানের অনুমোদন পাওয়া বাংলাদেশি ৬ জাহাজের ৫টির চালানই বাতিল, কারণ কী?

ডেস্ক রিপোর্ট।।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি বহনকারী ছয়টি জাহাজ নিরাপদে চলাচলের অনুমোদন দিয়েছে ইরান সরকার। তবে এর মধ্যে পাঁচটি চালান ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক সরবরাহকারীদের পক্ষ থেকে বাতিল করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানে পাঠানো তালিকাটি পুরোনো পরিকল্পনা ও নথির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এসব নথিতে কাতারএনার্জি ও ওমানের ওকিউ ট্রেডিংয়ের ‘ফোর্স মেজর’ ঘোষণাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই, মার্চের শুরুতে এই দুই প্রতিষ্ঠান সব সরবরাহ স্থগিত করে।

জ্বালানি বিভাগের পাঠানো তালিকায় এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য পাঁচটি এলএনজি কার্গোর কথা উল্লেখ ছিল। এর মধ্যে চারটি কাতারএনার্জির এবং একটি এক্সিলারেট এনার্জির। তবে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আরফানুল হক নিশ্চিত করেছেন, এসব চালান বর্তমানে কার্যকর নয়। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্থগিতাদেশ অন্তত ৮ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

তিনি বলেন, “যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যেসব চালানের সরবরাহ বাতিল হয়েছে, সেগুলোর জাহাজের তালিকা কেন ইরানে পাঠানো হলো, তা আমাদের জানা নেই। ফোর্স মেজরের কারণে এপ্রিল মাসে কাতারএনার্জির কোনো এলএনজি কার্গো নেই। তালিকাভুক্ত জাহাজগুলো কার্যত অস্তিত্বহীন।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ফোর্স মেজর কতদিন চলবে তা জানা না থাকায় তারা যুদ্ধ-পূর্ব আমদানির পরিকল্পনা অনুযায়ী তথ্য পাঠিয়েছিল। তবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “কিছু জাহাজ ফোর্স মেজরের আওতায় আছে, তবে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ তাৎক্ষণিকভাবে এর আওতায় নেই। তবে এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে জাহাজগুলো আনা সম্ভব কিনা, তা খতিয়ে দেখতে আমরা পেট্রোবাংলাকে নির্দেশ দিয়েছি।”

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন