মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
Logo

নতুন হামলার প্রস্তুতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

ডেস্ক রিপোর্ট।।

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সামরিক অভিযান শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। মধ্যপ্রাচ্যের দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৫ মে) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য হামলার জন্য ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে সংঘাত শুরু হলে আগের তুলনায় আরও ব্যাপক ও তীব্র বিমান হামলা চালানো হতে পারে। এতে ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ভেতরে বিশেষ কমান্ডো অভিযান চালিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এমন অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এতে বড় ধরনের হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে এবং অভিযানে সহায়তার জন্য কয়েক হাজার সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির এক কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ইসরায়েল প্রস্তুতি জোরদার করছে। একই সঙ্গে তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের দিকেও নজর রাখছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, “ওয়াশিংটন এখন বুঝতে পারছে যে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাওয়া কঠিন। তাই আমরা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।”

এর আগে চীন সফর শেষে ফেরার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান যদি অন্তত ২০ বছরের জন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। যদিও এর আগে তিনি স্থায়ীভাবে এ কার্যক্রম বন্ধের শর্ত দিয়েছিলেন।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন