রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

চামড়া খাতে বছরে ১২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির সম্ভাবনা দেখছেন শিল্পমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট।।

শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেছেন, সঠিক পরিকল্পনা, আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের চামড়া খাত থেকে বছরে ১২ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।

শনিবার (১৬ মে) সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে বিসিক কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের পুরো প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনার ঘাটতি ও অব্যবস্থাপনা ছিল। ফলে সম্ভাবনাময় এই শিল্প প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। তিনি জানান, দেশে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি করা গেলে অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্যানারিগুলোতে উৎপাদন বাড়লে সাভারের সিইটিপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে। বর্তমানে প্রতিদিন ১৪ থেকে ১৮ হাজার সিপিএম বর্জ্য পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ঈদ মৌসুমে এ চাহিদা বেড়ে প্রায় ৪৫ হাজার সিপিএমে পৌঁছায়। এতে পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। পরিবেশ সুরক্ষায় সরকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

তিনি জানান, ভবিষ্যতে আর্থিক ও প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম ট্যানারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজস্ব ইটিপি (অ্যাফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনে উৎসাহ দেওয়া হবে। এতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারের ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ আরও কার্যকর হবে।

ট্যানারি শিল্পের পরিবেশগত সংকট নিরসনে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সিইটিপির প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ট্যানারি শিল্প গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিক প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন ট্যানারি প্রতিষ্ঠানের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন