ডেস্ক রিপোর্ট।।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়েছে। মামলার চার্জশিট দাখিল এবং পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আজই।
রোববার (২৪ মে) সকালে পৃথক সময়ে কারাগার থেকে দুই আসামিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তোলা হতে পারে।
মামলা-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত সংস্থা সিআইডি এদিন আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারে। চার্জশিট গ্রহণের পর মামলাটি বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে। সেখানে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হতে পারে।
ঢাকা মহানগর আদালতের প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, চার্জশিট আদালতে পৌঁছানোর পর আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা উপস্থাপন করা হবে। বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২০ মে আদালতে জবানবন্দি দিয়ে নিজের অপরাধ স্বীকার করেন প্রধান আসামি সোহেল রানা। একই দিনে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
তদন্ত নথি অনুযায়ী, গত ১৮ মে সকালে নিখোঁজ হওয়ার পর পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরদিন নারায়ণগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আর ঘটনার দিনই স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়।
দেশজুড়ে আলোড়ন তোলা এ মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন নিহত শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্ট সবার।

