বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

‘আমি শুধু ধর্ষণ করছি, মারছে মিরপুর ১১ নম্বর বাড়ির ডলার’, দাবি সোহেলের

ডেস্ক রিপোর্ট।।

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আগামী ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

সকাল পৌনে ৮টার দিকে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার পর তাদের ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে নেওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সোহেল রানা চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। তিনি ধর্ষণের দায় স্বীকার করলেও হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তিকে দায়ী করেন। তার দাবি, মিরপুর-১১ এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তি হত্যার সঙ্গে জড়িত।

সোহেল রানা বলেন, ‘আমি ধর্ষণ করেছি, কিন্তু শিশুটিকে হত্যা করেছে ডলার। আমার স্ত্রী নির্দোষ। সব দোষ ডলারের।’ একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তার ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়াই প্রতিবেদনে তার নাম যুক্ত করা হয়েছে।

তবে রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, সোহেল রানা তাকে এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, বিচার প্রক্রিয়াকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই আসামি এসব বক্তব্য দিচ্ছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই বাসার ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগপত্রে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার এবং স্বপ্নার বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ নষ্টে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় রামিসার বাবা ও প্রতিবেশীসহ ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন