গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সমন্বয়কদের মধ্যে হান্নান মাসউদ সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান। বুধবার (৩ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান অভিযোগ করেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন হান্নান মাসউদ। এসব বৈঠকে আর্থিক লেনদেন ও রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, হান্নান মাসউদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবদুল গাফফার জিসান এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী। জিসান গণ-অভ্যুত্থানের সময় এবং পরবর্তী কয়েক মাস হান্নান মাসউদের নিরাপত্তা ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও দাবি করেন রাশেদ খান।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলীকে কেন্দ্র করেও নানা অভিযোগ তোলেন তিনি। তার দাবি, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন হান্নান মাসউদ এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রভাব ব্যবহার করে তাকে গ্রেপ্তারে ভূমিকা রাখেন।
তবে রাশেদ খানের এসব অভিযোগের বিষয়ে হান্নান মাসউদের কোনো প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর স্বাধীন বা নিরপেক্ষ কোনো যাচাইও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি।
এ বিষয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

