আগামী জুলাই থেকে অনলাইনভিত্তিক ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পূর্বে কাগজে জমা দেওয়া ভ্যাট রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
রোববার (৭ জুন) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে জমা দেওয়া হার্ড কপি মাসিক ভ্যাট রিটার্নগুলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে ই-ভ্যাট ব্যবস্থায় ‘হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি’ নামে একটি নতুন সাব-মডিউল চালু করা হয়েছে।
এনবিআর জানায়, এ বিষয়ে গত ৫ জানুয়ারি একটি পরিপত্র জারি করে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তাদের পুরোনো রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করেনি।
এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির সুযোগ দিতে সময়সীমা আরও তিন মাস বাড়িয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, সংশোধিত সময়সীমার মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের হার্ড কপি রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ক্লোজিং ব্যালেন্স স্থগিত (ফ্রিজ) করা হবে, ফলে পরবর্তীতে ওই স্থিতির বিপরীতে কোনো সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে না।
এছাড়া ভ্যাট ফেরতের আবেদন নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে পূর্ববর্তী রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রিফান্ডের আবেদনও করতে পারবে না।
রাজস্ব ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও করদাতাদের সহযোগিতা কামনা করেছে এনবিআর।

