চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার চিলাভালকি গ্রাম থেকে ১২ লাখা টাকা মুক্তিপণের দাবীতে সৌদি প্রবাসীর ছেলে রাফিজ মিয়া(১৬) নামের এক কিশেরকে কে অপহরণে পর, মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা। ৮ দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার।
আজ ১৩ জুন শনিবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কুতুবপুর গ্রামের অর্জুন খাল থেকে অপহৃত শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত একই উপজেলার বসুভান্ডারদহ গ্রামের আলম আলীর ছেলে মারুফ আলী আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এবিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি বানি ইসরায়েল জানান, বানি ইসরায়েল জানান, গত ৫ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে আলমডাঙ্গা থানায় চিলাভালকি গ্রামের সৌদি প্রবাসী আক্তারুজ্জামানের ছেলে রাফিজ মিয়া(১৬) কিশোরকে কে অজ্ঞাত স্থান থেকে অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে ডেকে অপহরণ করে। রাত গভীর হলে রাফিজ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে। এসময় গভীর রাতে অপহরণ চক্রের সদস্যরা রাফিজের সজনদের কাছে
অজ্ঞাত স্থান থেকে মোবাইল করে ১২ লাখ টাকার মুক্তিপণ দাবী করে এবং মুক্তিপণের টাকা না দিলে অপহৃতকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এদিকে বাড়ির সদস্যরা মুক্তিপণের টাকা জোগাড় করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এবিষয়ে গত ১০ জুন আলমডাঙ্গা থানায় অপহৃত শিশু রাফিজের দাদী আমেনা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিদের নামে নারী ও শিশু অপহরণ এবং মুক্তিপণ আইনে মামলা দায়ের করে।
এ মামলায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ গত ১০ জুন অপহরণ চক্রের সদস্য একই থানার বসুভান্ডারদহ গ্রামের আলম আলীর ছেলে মারুফ আলী (৪০) কে গ্রেপ্তরা করে। এর পর গত ১১ জুন আলমডাঙ্গা উপজেলা আদালতের বিজ্ঞ বিচারক চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মোস্তফা কামাল সাহেবের কাছে অভিযুক্ত আসামী মারুফ আলীকে হাজির করা হয়। এসনয় মারুফ আলী আদালতে জবানবন্দিতে রাফিজ মিয়াকে ১২ লাখ টাকার মুক্তি পণ আদায়ের জন্য ৩/৪ জন মিলে অপরণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
পুলিশ রাফিজের মরদেহ উদ্ধার করা করে ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

