ডেস্ক রিপোর্ট।।
দুধ ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তবে সব মানুষের জন্য, বিশেষ করে রাতে, দুধ খাওয়া সমানভাবে উপকারী নয়। কিছু শারীরিক অবস্থায় এটি অস্বস্তি বা জটিলতার কারণ হতে পারে বলে জানান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দুধ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়। কারণ দুধে থাকা ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের মাত্রা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই কিডনি রোগীদের চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ করা উচিত।
এ ছাড়া যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে, তারা দুধ খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, পেটব্যথা বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যায় ভুগতে পারেন। কারণ তাদের শরীরে দুধের ল্যাকটোজ ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইমের ঘাটতি থাকে।
অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ঘুমানোর ঠিক আগে পূর্ণ-চর্বিযুক্ত দুধ খেলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। আবার দুধে অ্যালার্জি থাকলে চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট কিংবা গুরুতর অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
ডায়রিয়া বা পাচনতন্ত্র দুর্বল থাকলেও দুধ সাময়িকভাবে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এটি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে।
তবে সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পরিমিত পরিমাণে দুধ পান সাধারণত নিরাপদ এবং উপকারী। যদি দুধ পান করার পর বারবার অস্বস্তি, হজমের সমস্যা বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে নিজে থেকে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

