সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

ইরানের হামলায় কুয়েতের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি শোধনাগারে আগুন

নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। শনিবার (১৮ জুলাই) ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলার পর কুয়েতের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি শোধনাগারের একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

দেশটির বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘প্ল্যান্টের নিরাপত্তা এবং জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

 
কুয়েতের সরকারি সংবা সংস্থা কুনার বরাতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে সতর্কতামূলক কিছু পরিচালনাগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
 
এদিকে ইরানের টানা হামলার কারণে কুয়েত এয়ারওয়েজ তাদের বেশিরভাগ ফ্লাইটের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করেছে। শনিবার (১৮ জুলাই ) এক বিবৃতিতে এয়ারলাইনটি যাত্রীদের নিজ নিজ ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিয়মিত যাচাই করার অনুরোধ জানিয়েছে। একইসঙ্গে বুকিংয়ের সময় নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএস ও প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনের মাধ্যমে হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে দেয়া হবে জানানো হয়েছে।
 
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে টানা সপ্তম রাতের মতো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে ইরানের নজরদারি কেন্দ্র, সামরিক সরবরাহ অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রাগার এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।
 
সেন্টকমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইস্টার্ন টাইম রাত ৯টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে) হামলা শেষ হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘সর্বাধিনায়কের (প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প) নির্দেশে সেন্টকম ইরানকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করার পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রেখেছে।’
 
সেন্টকমের দাবি, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং আঞ্চলিক নৌ চলাচলের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত অবকাঠামো ধ্বংস করা।
সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন