ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি বলেছে, আন্দোলনের একটি প্রধান দাবি পূরণ হলেও এখনো তাদের আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত চিঠিতে তিনি জানান, গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে এবং দেশের ঐক্য ও বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পদত্যাগের পরপরই সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে লিখেছে, “ককরোচদের জয় হয়েছে, গণতন্ত্রের জয় হয়েছে।”
এদিকে প্রশ্নফাঁস রোধে আরও কঠোর আইন আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার রাতে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, সংসদের চলমান অধিবেশনেই এ-সংক্রান্ত একটি নতুন বিল উত্থাপন করা হবে।
এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অন্যায্য উপায় প্রতিরোধ) আইন, ২০২৪ সংশোধনের খসড়ায় অনুমোদন দেয়। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি রুপি পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপি তাদের দাবিগুলোর অগ্রগতি তুলে ধরে একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি পূরণ হলেও বাকি তিনটি দাবি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
সিজেপির বাকি দাবিগুলো হলো—
আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য ১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ প্রদান।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া।
র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) ও দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা।
দিল্লির যন্তর মন্তরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীরা এখন সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন।

