বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Logo

মাদ্রাসা ও কারিগরিতেও বিএনসিসি চালুর উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক

শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ববোধ, দায়িত্বশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা জোরদারে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) কার্যক্রম সম্প্রসারণে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সাধারণ স্কুল-কলেজের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে মাদ্রাসা, পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও বিএনসিসি কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দেশব্যাপী বিএনসিসির কার্যক্রম বিস্তৃত করতে প্রথম ধাপে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, বিএনসিসির কার্যক্রম পরিচালনায় গতি আনতে শিক্ষার্থীপ্রতি বার্ষিক চাঁদার হারও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বছরে ৬ টাকা চাঁদা নেওয়া হলেও নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বাড়িয়ে ১০ টাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীপ্রতি বার্ষিক চাঁদা ৪ টাকা বাড়ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে ষষ্ঠ, অষ্টম, নবম ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি বা নিবন্ধনের সময় বছরে ৬ টাকা করে বিএনসিসি চাঁদা নেওয়া হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত স্নাতক পর্যায়ের ডিগ্রি ও অনার্স শিক্ষার্থীরাও এ চাঁদার আওতায় রয়েছেন।

নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে সাধারণ শিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বছরে ১০ টাকা করে বিএনসিসি চাঁদা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিএনসিসির কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, দেশপ্রেম, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার চর্চা আরও জোরদার হবে। উপজেলা পর্যায়ে পাইলট কার্যক্রম সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের আরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বিএনসিসির আওতায় আনা হবে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন