ইরাকের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের সাম্প্রতিক যৌথ বিমান হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, ইরাকের সরকারি স্থাপনা এবং পবিত্র আর্বাইন পদযাত্রায় অংশ নিতে আসা পুণ্যার্থীদের বিশ্রামাগার লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ হামলাকে ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের সামরিক অভিযান জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হামলাকে ‘অপরাধমূলক, অমানবিক ও উসকানিমূলক’ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ও অস্থিরতা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শিয়া মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ বার্ষিক ধর্মীয় সমাবেশ আর্বাইন উপলক্ষে লাখো পুণ্যার্থী কারবালার উদ্দেশে যাত্রা করছেন। এমন সংবেদনশীল সময়ে পুণ্যার্থীদের বিশ্রামাগার ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার অভিযোগকে গভীর উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছে তেহরান।
হামলায় নিহত ইরাকিদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একই সঙ্গে ইরাক সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি ইরানের পূর্ণ সমর্থন এবং সংহতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
তবে হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। হামলার স্থান, হতাহতের সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে স্বাধীনভাবে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

