গ্রিসের উপকূলে পৃথক অভিযানে ২০২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে জানা গেছে।
গ্রিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় তাদের উদ্ধার করা হয়। নৌযানগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের নিরাপদে তীরে নেওয়া হয়।
উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে বাংলাদেশি ও সুদানি নাগরিকের সংখ্যা বেশি। তাদের পরিচয় ও ভ্রমণপথ যাচাই করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য গ্রিসের দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চলগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও অনিরাপদ নৌযানের কারণে এই পথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ও উদ্ধার অভিযানের ঘটনা ঘটে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপমুখী অভিবাসনপ্রবাহে বাংলাদেশিদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, কর্মসংস্থানের প্রত্যাশা এবং উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষায় অনেক বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নেন।
তবে এই সমুদ্রপথে মানবপাচারকারী চক্রের তৎপরতা এবং অনিরাপদ নৌযান ব্যবহারের কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনহানির ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। গ্রিসসহ ইউরোপীয় দেশগুলো এ ধরনের অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে নজরদারি ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করেছে।

