বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
Logo

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডেন্টাল ক্লিনিক ও মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের লাইসেন্সের মেয়াদ এক বছর থেকে বাড়িয়ে দুই বছর করেছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নূরুল ইসলামের সই করা এবং মহাপরিচালকের অনুমোদিত চিঠিতে লাইসেন্স সংক্রান্ত নতুন নিয়মগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

একসঙ্গে দুই বছরের ফি ও ভ্যাট

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই বছরের লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট একসঙ্গে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।

নতুন লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অবস্থানগত ছাড়পত্র অথবা পরিবেশগত ছাড়পত্র অনলাইনে সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানে নারকোটিকস বা মাদকদ্রব্য ব্যবহার করা হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নারকোটিকস লাইসেন্সও নিতে হবে।

একই সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট লাইসেন্সগুলোর মেয়াদও দুই বছর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অনিয়ম হলে লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল

বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতে শৃঙ্খলা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শনের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তারা নিয়মিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন।

পরিদর্শনের সময় কোনো অনিয়ম, শর্তের ব্যত্যয় কিংবা লাইসেন্সের নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স নবায়নের প্রশাসনিক জটিলতা কমার পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন