নিউজ ডেস্ক
ইরানের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চেয়েছিল বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে তেহরান কোনোভাবেই নতি স্বীকার করেনি বরং ইরানের নির্ধারিত শর্ত মেনেই ওয়াশিংটন এখন আলোচনায় বসতে চাইছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আব্বাস আরাঘচি বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানকে সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। কিন্তু তেহরান দৃঢ়তার সঙ্গে সেই চাপ মোকাবিলা করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক প্রসঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, এতে মোট ১৪টি ধারা রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি ধারা ইরানের স্বার্থের অনুকূলে এবং মাত্র একটি ধারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সমঝোতাটি কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে ইসরায়েল বিভিন্ন ধরনের অপচেষ্টা ও নাশকতা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরাঘচির ভাষায়, যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য কূটনৈতিক আলোচনায় ইরানকে শক্ত অবস্থান নিতে সহায়তা করেছে। ইরান সামরিক ও যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করায় আলোচনার টেবিলেও তেহরান নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও দাবি করেন, সামরিক সংঘাতে সাফল্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও তেহরান এগিয়ে রয়েছে এবং ইরানের অবস্থান মেনেই যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় আসতে বাধ্য হয়েছে।

