নিউজ ডেস্ক
পণ্য সরবরাহ আরও দ্রুত করতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ড্রোন ডেলিভারি সেবা বড় পরিসরে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছে মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশটির প্রায় ৫০০ শহরে ‘প্রাইম এয়ার’ ড্রোন ডেলিভারি চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি মহানগর এলাকায় ১১টি সক্রিয় ঘাঁটির মাধ্যমে অ্যামাজনের ড্রোন ডেলিভারি কার্যক্রম চলছে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এই নেটওয়ার্ক আরও বিস্তৃত হবে। বড় শহর শিকাগো ও আটলান্টার পাশাপাশি সিরাকিউজ, ক্লিভল্যান্ড ও বোইসের মতো শহরেও সেবাটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এক ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছাবে পণ্য
অ্যামাজনের প্রাইম এয়ার ড্রোন সর্বোচ্চ ৫ পাউন্ড বা প্রায় ২ দশমিক ২৬ কেজি ওজনের প্যাকেজ বহন করতে পারে। প্যাকেজের আকার বড়জোর একটি জুতার বাক্সের সমান হতে হবে।
যোগ্য পণ্য অর্ডার করলে গ্রাহকের কাছে প্রায় ৬০ মিনিটের মধ্যে তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। স্থান ও পরিচালনাগত পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক ঘণ্টারও কম সময়েও পণ্য পৌঁছাতে পারে।
থাকছে নির্ধারিত ডেলিভারি ফি
ড্রোন ডেলিভারির খরচ নির্ভর করবে গ্রাহকের প্রাইম সদস্যপদ এবং অর্ডারের মূল্যের ওপর। ৫০ ডলার বা তার বেশি মূল্যের যোগ্য পণ্য অর্ডার করলে প্রাইম সদস্যরা বিনামূল্যে ড্রোন ডেলিভারি সুবিধা পাবেন।
৫০ ডলারের কম মূল্যের অর্ডারের ক্ষেত্রে প্রাইম সদস্যদের ৩ ডলার ডেলিভারি ফি দিতে হবে। আর প্রাইম সদস্য নন এমন গ্রাহকদের জন্য ড্রোন ডেলিভারির নির্ধারিত ফি ৫ ডলার।
লাস্ট-মাইল ডেলিভারিতে গতি বাড়ানোর উদ্যোগ
দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধসহ ছোট আকারের বিভিন্ন পণ্য দ্রুত গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে অ্যামাজন। এর মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থার শেষ ধাপ বা ‘লাস্ট-মাইল লজিস্টিকস’-এর সময় কমানোর পাশাপাশি ডেলিভারি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

