বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একই সঙ্গে রাজধানীর বস্তিবাসীদের জন্য আধুনিক আবাসন নির্মাণেও দেশটির বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, গুলশান ও ঢাকা-১৭ নির্বাচনি এলাকার কড়াইল, সাততলা ও ভাসানটেক বস্তির বাসিন্দাদের জন্য বিনামূল্যে আধুনিক আবাসন নির্মাণে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের প্রস্তাব চীনের কাছে দেওয়া হয়েছে। চীনা পক্ষ প্রকল্পটিতে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে।
তিনি জানান, আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে বর্জ্য থেকে ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্পেও চীনা একটি কোম্পানি কাজ করছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। এ বিষয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়েও আলোচনা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের সহযোগিতার বড় সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ভবিষ্যতে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

