রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

দাম বাড়ছে বেকারি পণ্যের, শনিবার থেকে কার্যকর

নিউজ ডেস্ক

কাঁচামাল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে বেকারি পণ্যের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি।

সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, কিছু পণ্যের দাম সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আবার সব ক্ষেত্রে সরাসরি দাম বাড়ানো হবে না। কোনো কোনো পণ্যের বর্তমান মূল্য অপরিবর্তিত রেখে ওজন কমিয়ে উৎপাদন ব্যয় সমন্বয় করা হবে।

সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, তারা আলাদাভাবে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেননি; বরং উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পণ্যের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো পণ্যের দাম বাড়ানো হলে তা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর ১০ টাকার রুটির মতো কিছু পণ্যের দাম একই রেখে ওজন কমানো হবে।

তিনি বলেন, গত ছয় মাসে আটা, ময়দা ও ভোজ্যতেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং বাড়তি পরিচালন ব্যয় যোগ হওয়ায় আগের দামে বেকারি পণ্য উৎপাদন করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বেকারি মালিকদের ভাষ্য, কাঁচামাল ও জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একই সময়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যার কারণে উৎপাদন ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কমেছে।

তবে এখন পর্যন্ত বড় পরিসরে বেকারি বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি। তার দাবি, অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। আগে যে বেকারি প্রতিদিন পাঁচ বস্তা ময়দা ব্যবহার করত, সেটি এখন তিন বস্তায় নেমে এসেছে।

সমিতির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ক্ষুদ্র বেকারির সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। এর মধ্যে রাজধানীতেই রয়েছে সাত শতাধিক প্রতিষ্ঠান।

বেকারি মালিকদের আশঙ্কা, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের ক্ষুদ্র বেকারি খাত বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন