শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের শিক্ষার্থীরা মেধার দিক থেকে কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই। তবে এই মেধাবী শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে না পারলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যেতে পারে।
বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা মেধায় কোনো অংশে কম নয়। আমাদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের আমরা যদি এআই প্রশিক্ষিত না করতে পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হবে। নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই গড়তে হবে।’
শিক্ষা খাতে সরকারের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে সারা দেশে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ১ কোটি ১২ লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণে চালু করা হচ্ছে মিড ডে মিল।
২০২৮ সালের মধ্যে যুগোপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের জন্য সরকার কাজ করছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া খতিয়ে দেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জিমনেসিয়াম তৈরির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রিয় নবীনরা, তোমাদের দিকে দেশ তাকিয়ে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে তোমাদের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই ফিফথ জেনারেশন অব ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনে যেতে হলে, ন্যানোটেকনোলজিতে যেতে হলে, রোবটিক্স দিয়ে যদি কাজ করতে হয়, এআই দিয়ে কাজ করতে হবে।’
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানাসহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

