চট্টগ্রামের পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে দলিল রেজিস্ট্রির বিনিময়ে ২ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সাব-রেজিস্ট্রারসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ের সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম এবং অফিসের উমেদার রূপন দাশ।
দুদক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের এক আইনজীবী তার মক্কেলের দুটি অংশীদারি চুক্তিপত্র রেজিস্ট্রির জন্য পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি কার্যালয়ে জমা দেন। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, দলিল দুটিতে কোনো ত্রুটি না থাকলেও সেগুলোর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়।
পরে সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান ও হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম দলিল দুটি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার বিনিময়ে ২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
এ অবস্থায় ভুক্তভোগী আইনজীবী বিষয়টি দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে জানান। পরে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পাওয়ার পর দুদকের বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সাব-রেজিস্ট্রার আবদুস সোবহান, হেড ক্লার্ক ফারুক ইসলাম ও উমেদার রূপন দাশকে ২ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে দুদক।
দুদক জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে আটক ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মামলা ও পরবর্তী তদন্তে অভিযোগের বিস্তারিত বিষয় স্পষ্ট হবে।

