কারিগরি সমীক্ষা শেষ হলে আগামী অর্থবছর থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তিস্তা নদীর দুই পাড়ের প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনের নতুন ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় কারিগরি সমীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর আগামী অর্থবছর থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীর দুই তীরের মানুষের জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেন আসাদুল হাবিব দুলু। তাঁর ভাষ্য, প্রকল্পটির সুফল তিস্তা নদীর অববাহিকার প্রায় দুই কোটি মানুষ পেতে পারেন।
এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতাও প্রয়োজন। জনগণ ও প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি সম্ভব।
এর আগে সেপ্টেম্বরেও মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক কাজ ২০২৭ সালে শুরু করা সম্ভব হতে পারে। একই সময়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও আগামী বছর থেকে মহাপরিকল্পনার মূল কাজ শুরুর কথা জানানো হয়।

