রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

নিউজ ডেস্ক

২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা শুরু হয়েছে চিকিৎসাবিজ্ঞান বিভাগ দিয়ে। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য চলতি বছর যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির তিন বিজ্ঞানী।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্ত তিন বিজ্ঞানী হলেন কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল।

আলো ব্যবহার করে কোষের ভেতরের নির্দিষ্ট আয়ন চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ এবং এর মাধ্যমে স্নায়ুকোষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তাদের গবেষণা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। এ গবেষণার ওপর ভিত্তি করেই অপটোজেনেটিকস প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে, যা স্নায়ুবিজ্ঞানসহ জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা। আগামী শুক্রবারের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নামও ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মেরি ব্রুনকো ও ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং জাপানের শিমুন সাকাগুচি। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কীভাবে নিজস্ব কোষ ও ক্ষতিকর বহিরাগত উপাদানের মধ্যে পার্থক্য করে, সে বিষয়ে ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ নিয়ে আবিষ্কারের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পান যুক্তরাষ্ট্রের ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুন। মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকা উদ্‌ঘাটনের জন্য তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছিল।

আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের স্টকহোমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের নোবেলজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। প্রতিটি পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা।

প্রতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে সুইডেনের স্টকহোমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট। ১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সুইডিশ বিজ্ঞানী ও শিল্পোদ্যোক্তা আলফ্রেড নোবেলের নামানুসারে এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়।

আলফ্রেড নোবেল তার উইলে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দেওয়ার জন্য নিজের সম্পদ ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়ে যান। পরে ১৯৬৯ সালে এই পাঁচ বিভাগের সঙ্গে অর্থনীতিও যুক্ত হয়।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন