রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
Logo

শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

নিউজ ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও ১ হাজার ৪৭১ জন প্রার্থী চাকরিতে যোগ দেননি। তাদের মধ্যে ৫৫৩ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। আর নিয়োগপত্র পেয়েও নির্ধারিত সময়ে কাজে যোগ দেননি ৯১৮ জন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৫’-এর জন্য দুই ধাপে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি আবেদন জমা পড়ে। অর্থাৎ প্রতি পদের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি আবেদন পড়ে। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন করেন ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন।

লিখিত পরীক্ষায় ৬৯ হাজার ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের সময় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর জেলাভিত্তিক নিয়োগের আদেশ জারি করে প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৮৩১ জন কাগজপত্র জমা দেন। বাকি ৫৫২ জন তা জমা দেননি। এ ছাড়া একজন প্রার্থী মারা গেছেন।

কাগজপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পান। তাদের মধ্যে ১২ হাজার ৮৩০ জন নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দেন। তবে ৯১৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েও কাজে যোগ দেননি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) আবদুর রহিম বলেন, অনেকে কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় নিয়োগে আগ্রহ দেখাননি। আবার কেউ নিয়োগপত্র পাওয়ার পরও যোগ দেননি। তাদের অন্য কোথাও চাকরি হয়ে থাকতে পারে এবং তারা সেটিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। সরকারি নিয়োগে এ ধরনের ঘটনা সাধারণত ঘটে বলেও জানান তিনি।

তবে এতসংখ্যক প্রার্থী যোগ না দেওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবদুর রহিম বলেন, বড় একটি নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। এরপরও পদ শূন্য থাকলে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট তৈরি হয়।

এ কারণে শূন্য পদ পূরণে শিগগিরই নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন