তিনি আরও দাবি করেন, তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর আক্রমণ জোরদার হওয়ায় হুথি যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম ফ্রন্টে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এতে হুথিদের রিজার্ভ বাহিনী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে এবং নতুন এলাকা দখলের প্রচেষ্টাও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দাবি, সরকারি বাহিনী তাদের নির্ধারিত সামরিক পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান চালাচ্ছে। হামলাগুলো বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
‘অপারেশন ডন অব ইয়েমেন’-এর আওতায় কয়েক দিন ধরে তীব্র লড়াই চলার মধ্যে সর্বশেষ এই হতাহতের হিসাব প্রকাশ করল সরকারি বাহিনী।
এর আগে সোমবার আল-নুজাইলি জানিয়েছিলেন, তার আগের ২৪ ঘণ্টায় সরকারি বাহিনী ১ হাজার ১৬৪টি হামলা চালিয়েছে। ওই অভিযানে মাঠপর্যায়ের কমান্ডারসহ ৫৫৮ জন হুথি যোদ্ধা নিহত বা যুদ্ধের অযোগ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া ১৩৫টি সামরিক যান ও সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথাও জানান।
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি শাবওয়া ও দক্ষিণাঞ্চলীয় ফ্রন্টে হুথিদের অবস্থানের ওপর চাপ বজায় রাখা হয়েছে। পশ্চিম উপকূল এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালীর কাছাকাছি এলাকাতেও অভিযান চলছে।
তবে হামলা, হতাহত ও সামরিক সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

