অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—এমন সতর্ক বার্তা দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। শনিবার (২৪ মে) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা শেষে এক অনির্ধারিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ১৯ জন উপদেষ্টা।
তিন মূল দায়িত্বে অগ্রাধিকার
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্বাচন, সংস্কার ও বিচার—এই তিনটি প্রধান দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সরকার। তবে সম্প্রতি বিভিন্ন মহল থেকে অযৌক্তিক দাবি, এখতিয়ারবহির্ভূত বক্তব্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মসূচির মাধ্যমে এই দায়িত্বপালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
জনগণকেই শক্তির উৎস হিসেবে দেখছে সরকার
পরিষদের মতে, সরকার গোষ্ঠীস্বার্থ উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু যদি বিদেশি ষড়যন্ত্র ও পরাজিত শক্তির ইন্ধনে এই দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নষ্ট হয়, তবে সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমস্ত কারণ জনসমক্ষে তুলে ধরে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সতর্কতা ও সমন্বয়ের বার্তা
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকারের স্বকীয়তা, সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টা দেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। তাই বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য শোনারও উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সংলাপের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে সূত্রে।

