চট্টগ্রাম বন্দরের আরোপিত চারগুণ স্টোর রেন্টের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা শিল্প খাত ও পণ্যমূল্যে বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলে অভিযোগ করেছে তিনটি ব্যবসায়ী সংগঠন।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ও চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপ এই দাবি তুলে ধরে।
চট্টগ্রাম কাগজ ও সেলোফিন ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি এহসান এ খান লিখিত বক্তব্যে বলেন, “বন্দর থেকে মাল খালাসে কেবল বন্দরের নয়, একাধিক সংস্থার জটিলতা ও বিলম্ব থাকে। এর জন্য আমদানিকারকরা দায়ী নন। অথচ অষ্টম দিন থেকে চারগুণ স্টোর রেন্ট আরোপ অবিচারসুলভ।”
বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১০ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা দেয়, আমদানি করা এফসিএল কনটেইনারের জন্য কমন ল্যান্ডিং ডেটের অষ্টম দিন থেকে চারগুণ হারে স্টোর রেন্ট কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ পেপার ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “আমরা আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মুখে পড়ি, সময়মতো শুল্কায়ন সম্ভব হয় না। বর্তমানে কাস্টমস কর্মকর্তারা কলমবিরতিতে রয়েছেন, এতে আমরা দায়ী নই। অথচ খেসারত দিতে হচ্ছে আমাদের।”
তিনি আরও বলেন, “এই চারগুণ রেন্ট শিল্প খাতে খরচ বাড়াচ্ছে, যা সরাসরি পণ্যের দামে প্রভাব ফেলছে।”
বক্তারা দাবি করেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপে রপ্তানিমুখী খাত যখন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত উৎপাদন ব্যাহত করবে এবং দেশীয় বাজারে দ্রব্যমূল্য আরও চড়া হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন, পরিচালক মো. আরিফ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, কাগজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক আহম্মদ সেলিম প্রমুখ।

