সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

আর্থিক সহায়তা পেলে ২০৩০ সালের মধ্যে চামড়া রপ্তানি ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে: ডিসিসিআই সভায় আশাবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট।।

সঠিক নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা পেলে চামড়া শিল্প থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি সম্ভব, যা ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়নে উন্নীত হতে পারে বলে মত দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তারা।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজনে ‘চামড়া শিল্পের কৌশল নির্ধারণ: এলডিসি পরবর্তী টেকসই রপ্তানি’ শীর্ষক সভায় বক্তারা এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।


বক্তারা বলেন, সাভারে চামড়া শিল্পনগরী স্থানান্তরিত হলেও সিইটিপি (সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় এলডব্লিউজি (LWG) সার্টিফিকেট না থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। এতে করে উদ্যোক্তারা বঞ্চিত হচ্ছেন ন্যায্য মূল্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ থেকে।

বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম জানান, কোরবানির মৌসুমে যেখানে ৩৫ হাজার কিউবিক মিটার তরল বর্জ্য শোধনের প্রয়োজন হয়, সেখানে সিইটিপির সক্ষমতা রয়েছে মাত্র ১৪ হাজার কিউবিক মিটার। এই সক্ষমতা বাড়াতে একটি প্রযুক্তি টিম কাজ করছে।

প্রতিনিধিদের প্রস্তাব:

  • চামড়া খাতকে একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা।

  • পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্বল্পসুদে অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

  • এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশন অর্জনের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত উদ্যোগ।

ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, পোশাকখাতের মতো চামড়া খাতেও দীর্ঘমেয়াদি প্রণোদনা, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বন্ডেড সুবিধা নিশ্চিত করা হলে এটি একটি প্রধান রপ্তানি খাতে রূপ নিতে পারে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এমসিসিআই’র সাবেক সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান, বিডা মহাপরিচালক মো. আরিফুল হক, বিসিএসআইআর’র সালমা আহমেদসহ উদ্যোক্তা ও গবেষকগণ।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন