বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “জনগণের রায় কার্যকর করতে হলে চাই একটি নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার। যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে সেটিই সবচেয়ে জরুরি।”
তিনি অভিযোগ করেন, “নির্বাচনের বিষয়টি এখন একটি টালবাহানার খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিকে ঘুরপাক খাওয়ানো হচ্ছে তথাকথিত ‘অল্প সংস্কার’ আর ‘বেশি সংস্কার’ তত্ত্বে।”
বুধবার (২৮ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন,
“জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকার পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। সংস্কারের নামে যেসব প্রস্তাব আসছে, সেগুলো মূলত সময়ক্ষেপণের কৌশল। জনগণ এটা বুঝে গেছে।”
তিনি আরও বলেন,
“গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তরুণ সমাজই অগ্রণী শক্তি হবে। এদের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো প্রকৃত নির্বাচন সম্ভব নয়।”
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন,
“যে সংলাপ, আলোচনা আর সংস্কারের গল্প শোনানো হচ্ছে—তা মূলত নির্বাচন ঠেকানোর কৌশল। সরকার চাইছে না, জনগণ তাদের রায় দিতে পারে।”
তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“আপনারাই এই দেশের ভবিষ্যৎ। আপনাদের হাতেই গড়ে উঠবে একটি গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা।”
সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না,
সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

