জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে সংঘটিত alleged গণহত্যার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুনকেও আসামি করা হয়েছে।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হয়। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। এতে প্রায় দেড় হাজার সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারান, যার মধ্যে অধিকাংশ ছিলেন ছাত্র ও তরুণ কর্মী।
গত ১২ মে তদন্ত সংস্থা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে তাকে গণহত্যার পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল ২০ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়। মামলার শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চিফ প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রুখতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্তি প্রয়োগ করে। অভিযোগ রয়েছে, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভিত্তিতে এই আন্দোলন দমনে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ঘটায়।
এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত একটি মামলা হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আনুষ্ঠানিক অভিযুক্ত হিসেবে আদালতে দাঁড়াতে যাচ্ছেন।

