৯ দফা দাবিতে পর্তুগালে এনসিপির বিক্ষোভ
পর্তুগালে বসবাসরত অভিবাসীদের মানবিক অধিকার ও মর্যাদার ভিত্তিতে অভিবাসন নীতির সংস্কারের দাবিতে সলিডারিটি ইমিগ্রেন্ট নামের একটি সংগঠনের ডাকা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে একাত্মতা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স, পর্তুগাল শাখা।
স্থানীয় সময় শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দেশটির জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের রাজপথে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এনসিপি নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিক্ষোভের তথ্য ও দাবি-দাওয়ার বিবরণ প্রকাশ করা হয়।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ৯টি মূল দাবির কথা তুলে ধরেন, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে:
-
সব অভিবাসীর জন্য মানবিক অভিবাসন ব্যবস্থা ও জাতীয়তা আইন প্রণয়ন।
-
পারিবারিক পুনর্মিলন (Family Reunification) প্রক্রিয়া সহজ ও উন্মুক্ত করা।
-
অভিবাসীদের সম্মান, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা।
-
‘একজন কম, একজন বেশি’ ভিত্তিক বৈষম্যমূলক অভিবাসন নীতি বাতিল।
-
ডিটেনশন সেন্টারে আটক অভিবাসীদের মুক্তি।
-
অভিবাসীদের অপরাধী হিসেবে দেখা বন্ধ করা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
-
যারা পর্তুগালে জন্মগ্রহণ করেছে, তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা।
-
সব নাগরিকের জন্য সমান আইন প্রণয়ন।
-
স্কুল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে অভিবাসী শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
বক্তারা বলেন, পর্তুগালে অবস্থানরত অভিবাসীরা নানা ধরনের কাঠামোগত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বৈধতা, নাগরিকত্ব, ও পরিবার নিয়ে বসবাসের মতো মৌলিক অধিকারগুলো এখনও অনেকের নাগালের বাইরে।
বিক্ষোভকারীরা জানান, তাদের দাবি শুধুমাত্র কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবিকভাবে নীতি পরিবর্তনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স তাদের বার্তায় বলেন, শুধু পর্তুগাল নয়, ইউরোপের প্রতিটি দেশে অভিবাসীদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। অভিবাসন কোনো অপরাধ নয়— এটি একটি মানবিক বাস্তবতা।


