ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশংসা: জুলাই সনদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সনদটিকে “রাজনৈতিক ঐক্য ও সংস্কারের পথে একটি বড় অগ্রগতি” হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ মিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রাষ্ট্রদূত বলেন, “২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে এই সনদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিপক্বতার দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। এটি একটি ঐক্যবদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক আগামীর প্রতিচ্ছবি।”
সাম্প্রতিক সময়ে নানা রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জুলাই সনদের মাধ্যমে একটি নতুন মাইলফলক রচিত হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সনদটিতে দেশের বিশিষ্ট নাগরিক, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা স্বাক্ষর করেন। এতে রাজনৈতিক সম্প্রীতি, নির্বাচনী সংস্কার এবং সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই সনদে স্বাক্ষর করেন। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারাও অংশ নেন। যদিও গণফোরাম এই দিন স্বাক্ষর থেকে বিরত থাকে, তারা জানিয়েছে, আগামীকাল (১৯ অক্টোবর) তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সনদে স্বাক্ষর করবে।
রাষ্ট্রদূত মিলার আরও বলেন, “জুলাই সনদের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এটি শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যের প্রতীক নয়, বরং একটি সমন্বিত গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের ভিত্তিপ্রস্তর।”


