ইসিতে আট বিভাগে আটদিনে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব

জাতীয়
ইসিতে আট বিভাগে আটদিনে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব
নিউজ ডেস্ক
১৩ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপ শেষে নির্বাচনের পরিবেশ ও প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রস্তাব উঠে এসেছে। বিভিন্ন দল নিরাপত্তা, দুর্নীতি-বিরোধী পদক্ষেপ এবং ভোটারদের সুষ্ঠু অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ একদিনে না করে আট বিভাগে আটদিনে করার প্রস্তাব দিয়েছেন। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব করা হয় যাতে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপ কমানো যায়।

সংলাপে আরও বলা হয়, নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ, কালোটাকার মালিক, অর্থপাচারকারী ও ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিতদের অংশগ্রহণ বন্ধ করতে হবে। প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ এবং কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের নিয়োগের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশসহ আরও একাধিক দল সংলাপে অংশ নেন। তারা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান নির্বাচনের পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী বলেন, “চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা যাতে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সেজন্য কমিশনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।” লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম আরও বলেন, “নির্বাচন তফসিল ঘোষণার আগে কমিশনকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে যাতে ভোটার নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।”

ন্যাশনাল পিপলস পার্টি এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসও প্রার্থীদের জন্য জামানত পুনর্নির্ধারণ, নির্বাচনে সমান সুযোগ এবং প্রচারের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের দাবি করেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী বলেন, “সম্প্রতি কমিশনের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক, এবং এটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।”

সংলাপে উঠে আসা এসব প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনের নিকট গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হিসেবে বিবেচনা করা হবে, যাতে জাতীয় নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ এবং ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।