শীতকালেও হতে পারে পানিশূন্যতা, দূর করবেন যেভাবে
শীতকালে তুলনামূলকভাবে পানি পান কমে যায়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় তৃষ্ণা কম লাগার কারণে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে কম পানি পান করেন। ফলে অজান্তেই শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দেখা দিতে পারে, যা নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীত মৌসুমে পানিশূন্যতা হওয়ার আশঙ্কা একেবারেই কম নয়। এ সময় নিচের কয়েকটি কারণে শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়—
১. তৃষ্ণার অনুভূতি কমে যায়
ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীর স্বাভাবিকের তুলনায় কম তৃষ্ণার সংকেত দেয়। ফলে নিয়মিত পানি পান করার অভ্যাস অনেকেরই কমে যায়।
২. ঘাম হলেও বোঝা যায় না
শীতকালেও হাঁটাচলা বা দৈনন্দিন কাজের সময় শরীর থেকে ঘাম ঝরে। তবে ঠান্ডা আবহাওয়ায় ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যাওয়ায় পানির ক্ষয় সহজে চোখে পড়ে না।
৩. শুষ্ক বাতাসে বাড়ে পানির ক্ষয়
শীতের শুষ্ক বাতাস ত্বক ও শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে নেয়, যা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ায়।
৪. গরম পোশাক ও হিটার ব্যবহারের প্রভাব
অতিরিক্ত গরম কাপড় পরা বা রুম হিটার ব্যবহার করলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এতে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে আরও বেশি পানি বেরিয়ে যায়।
৫. চা-কফির অতিরিক্ত গ্রহণ
শীতকালে চা ও কফির প্রতি ঝোঁক বেড়ে যায়। এসব পানীয় মূত্রবর্ধক হওয়ায় শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যাওয়ার হার বাড়ে।
সতর্কতা ও করণীয়
বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালেও প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি স্যুপ, ফলমূল ও অন্যান্য তরলজাতীয় খাবার গ্রহণ করলে শরীরের পানির ঘাটতি সহজেই পূরণ করা সম্ভব।


